Logo

‘কাজ না করলেও তিন মাস বেতন দিতেই হবে’- রুবানা হক

RMG Times
শনিবার, এপ্রিল ৪, ২০২০
  • শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট: করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতার প্রভাব শিল্পখাতে যেভাবেই পড়ুক না কেন শ্রমিকরা বেতন পাবেন সময় মতো। এ আশ্বাস শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর। আর সঙ্কটকালীন কারখানা চালু রাখা ও বেতন-ভাতা পরিশোধে শ্রমিক-মালিক পরস্পরকে সহযোগিতা করবে এ প্রত্যাশা শ্রমিক নেতাদের।

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কারখানা বন্ধ করায় কাজে এসে ফিরে যাচ্ছেন শ্রমিকরা। তবে জানানো হয়েছে নির্ধারিত সময়েই দেয়া হবে তাদের বেতন-ভাতা। একজন কর্মী বলেন, বলছে যে খুললে উনারা বেতন দিয়ে দেবে।

জুলি-জান্নাতের মতো যাদের কারখানা বন্ধ হয়েছে আগেই, তাদেরও প্রত্যাশা প্রতি মাসের মতোই বেতন পাবেন এবারও। না পেলে স্বল্প আয়ের সংসারে ঘরভাড়াসহ নিত্যদিনের খরচ মেটাতে হিমশিম খেতে হবে তাদের।

শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে যেন কোনো জটিলতা তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করার দাবি শ্রমিক নেতাদের। সেই সঙ্গে সঙ্কট মোকাবিলায় মালিক-শ্রমিক মিলেমিশে পদক্ষেপ নেবে এ প্রত্যাশা তাদের।

পোশাক শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মো তৌহিদুর রহমান বলেন, আমরা শুধু মালিকদের আন্তরিকতাটা চাই। আসুন না আমরা এ বৈশ্বিক সঙ্কট মিলেমিশে পার করি।

বিজিএমইএর পরিসংখ্যান, করোনার কারণে এরই মধ্যে বাতিল ও স্থগিত হয়েছে ৩০০ কোটি ডলারের কার্যাদেশ। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ২৩ লাখ শ্রমিকের ওপর। এ অঙ্ক বড় হচ্ছে প্রতিদিনই। সংগঠনটি বলছে, রপ্তানি খাতে সরকার ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল হাতে পেতে বিলম্ব হলেও শ্রমিকরা বেতন পাবেন সময় মতো।

টিম গ্রুপের পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব বলেন, মার্চের বেতন দিতেই হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, দিতেই হবে, আগামী তিন মাস কাজ করুক না করুক। শ্রমিকের বেঁচে থাকাটা আমার জন্য জরুরি। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো আমাদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করছে তার ওপর।

বিজিএমইএর তথ্য, শ্রমিক-কর্মকর্তাদের বেতন বাবদ প্রতি মাসে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হয় মালিকদের।