Logo

পোশাক শ্রমিকদের বকশিশ দেয়ার প্রযুক্তি তৈরির প্রস্তাব রাষ্ট্রদূতের

RMG Times
রবিবার, জুলাই ২৯, ২০১৮
  • শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট: পোশাক শ্রমিকদের বকশিশ দেয়ার প্রযুক্তি তৈরির প্রস্তাব করেছেন নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল।

তিনি বলেন, কোনো ভোক্তা কোনো রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট হলে তার খুশির মাত্রা অনুযায়ী বকশিশ (টিপস) দিতে পারলে, প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে পোশাক শ্রমিকদের জন্যও এমন কোনো ব্যবস্থা/অ্যাপস/বারকোড চালু করা দরকার।

সম্প্রতি আমস্টারডামের বিখ্যাত সিএন্ডএ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লেসলী জন্সটনের সাথে আলাপকালে এ আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত।

গত ১২ এপ্রিল নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (থিংক ট্যাঙ্ক) ‘টি.এম.সি. এসার ইনস্টিটিউট’ এ ‘রানা প্লাজার পাঁচ বছর’ শীর্ষক সেমিনারের ধারাবাহিকতায় শেখ মুহম্মদ বেলাল বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মানোন্নয়ন অগ্রগতির বিষয় নিয়ে লেসলী জন্সটনের সাথে খোলামেলা আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত বেলাল জন্সটনকে অনুরোধ করেন, এমন কোনো উদ্ভাবনী ব্যবস্থা বের করতে যাতে যেকোনো ভোক্তা কোনো পোশাক কেনার সময় যদি এ পোশাক সংশ্লিষ্ট শ্রমিককে কোনো বকশিশ দিতে চায় তার জন্য একটি ঐচ্ছিক বারকোড কি পোশাকের মূল্য তালিকার সাথে রাখা যায়।

লেসলী রাষ্ট্রদূতের প্রস্তাব অত্যন্ত আগ্রহ দিয়ে শোনেন এবং এ ধরনের মানবিক চিন্তার জন্য রাষ্ট্রদূত বেলালকে ধন্যবাদ দিয়ে তার ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণার চেষ্টা করবে বলে জানান।

লেসলী বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মানোন্নয়নের জন্য দূতাবাসের অন্যান্য প্রস্তাবগুলোও গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নারী পোশাক কর্মীদের ক্ষমতায়নের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেন।

দূতাবাস এবং সিএন্ডএ ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের গুণগত উৎকর্ষতার জন্য একসাথে কাজ করার জন্য আরো উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা বলে।

উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডের বিখ্যাত সিএন্ডএ ব্র্যান্ড একটি ডাচ পারিবারিক প্রতিষ্ঠান যারা বাংলাদেশ থেকে নেদারল্যান্ডের আমদানিকারকদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। নেদারল্যান্ডে এবং সিএন্ডএ ফাউন্ডেশন বছরে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার মানোন্নয়ন বৃদ্ধি খাতে ব্যয় করে থাকে।

সৌজন্যে : বৈশাখী টেলিভিশন