নিজস্ব প্রতিনিধি: পরিবেশ আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু যে শুধু দিতেই জানে কিন্তু ফেরত চায়না কিছুই আর এই পরিবেশের মূল উপাদান হচ্ছে গাছ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় স্ব স্ব দায়িত্ববোধ থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে। এই দায়িত্ববোধ থেকেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুরস্থ স্বনামধন্য পোশাক কারখানা ‘জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ড্রাস্টিয়াল লিমিটেড’ এবং ‘জিএমএস ট্রিমস লিমিটেড’ তাদের নিজস্ব ১৭ হাজার পোশাক শ্রমিকের মধ্যে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ করেছে।
গত ১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) কাশিমপুরের ‘জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ড্রাস্টিয়াল লিমিটেড’ এবং ‘জিএমএস ট্রিমস লিমিটেড’ এর অর্থায়নে এসব ফলজ, বনজ ও ওষধী গাছের চারাগুলো বিতরণ করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কারখানাটির মহাব্যবস্থাপক নাজমুল শাহাদাৎ সোহেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন কারখানাটির মানব সম্পদ ও কমপ্লায়েন্স বিভাগের প্রধান মিস. উম্মে ফ্লোরাসহ আরো অনেকেই।
নাজমুল শাহাদাৎ বলেন, সারা দেশে সবুজায়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে নিজেদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ফলজ, বনজ ও ভেষজ গাছের চারা রোপণ করা হবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থপনা কর্মসূচি হিসেবে কারখানার ভেতরে অরগানিক (জৈব) সার প্লান্ট তৈরি করা হয়েছে। যা পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখতে সাহায্য করবে।
মিস. উম্মে ফ্লোরা জানান, পরিবেশ থেকে মহামূল্যবান অক্সিজেন ও পানিসহ আমরা নানা উপাদান ব্যবহার করছি কিন্তু সে তুলনায় আমরা আমাদের যে দায়িত্ব আছে তা পালন করছি না। ফলে এর ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, পানির স্তর নিচের দিকে চলে যাচ্ছে। তাই আমাদের পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে আমরা নিজস্ব নার্সারী থেকে চারা উৎপাদন করছি এবং শ্রমিকদের মধ্যে বিনামূল্যে পৌছে দিচ্ছি। শুধু তাই না, আমরা আরও ৩ হাজার শ্রমিকের কাছে এ চারা পৌছে দেবো। পাশাপাশি আমাদের এ নার্সারী থেকে পরবর্তীতে নামমাত্র মূল্যে শ্রমিকরা গাছের চারা ক্রয় করতে পারবে।
এছাড়াও ময়লা, আবর্জনা ফেলার জন্য কোম্পানীর নিজস্ব খরচে বিভিন্ন জায়গায় ডাষ্টবীনসহ ঘেরাও করে জায়গা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। পরিবেশ রক্ষায় তাদের এই বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ২০১৯ সাল থেকে শুরু করেছে যা ভবিষ্যতেও চলবে।
মতামত লিখুন :