ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশে পোশাক উৎপাদনে কারখানার উন্নয়নসহ শ্রমিক নিরাপত্তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে, উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট- অ্যালায়েন্স। তবে রানা প্লাজা ধসের পর, নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্ববাসীর কাছে পরিষ্কার হতে, আরো সময় লাগবে।
রাজধানীর একটি হোটেলে আজ বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক জেমস এফ মরিয়ার্টি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা পল রাগবি এবং পরিচালক (পরিচালন) কামরুন্নেছা বাবলী।

রানা প্লাজা ধসের পর, বাংলাদেশের পোশাক খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে গঠিত হয় উত্তর আমেরিকান ক্রেতাজোট– অ্যালায়েন্স। একইসঙ্গে হয় ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট- অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি। সংস্কার কাজে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায়, ৮৩টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করে অ্যাকর্ড।
তবে এ্যালায়েন্স এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩২২টি কারখানার ত্রুটি সংশোধন শেষ করে, যা মোট কারখানার ৯০ শতাংশ। এতে খুশি এই ক্রেতা জোট।
নিরাপত্তার উন্নতির বিষয়টি অ্যালায়েন্স বহির্বিশ্বকে জানাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে, মরিয়ার্টি বলেন বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশ সম্পর্কে বিশ্বের সাথে আরো কাজ করার আছে।
তিনি বলেন, আগামী মে মাসে অ্যালায়েন্স তার কার্যক্রম গুটিয়ে নিলেও আরও ছ’মাস অন্তর্বর্তীকালীন তদারকির কাজটি করে যাবে, যা বাংলাদেশের পোশাক খাতের সামগ্রিক উন্নতিতে ভূমিকা রাখবে।
‘বাংলাদেশ সরকারের নির্দিষ্ট সংস্থা অ্যালায়েন্সের কার্যক্রম বুঝে নিতে ব্যর্থ হলে হয়তো আমরাই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ব তদারকি করার জন্য’ -বলেন মরিয়ার্টি।
মতামত লিখুন :