আরএমজি টাইমস ও G. Gueldenpfennig এর উদ্যোগে নতুন জামা পেলো এতিম শিশুরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদের আর মাত্র ২-৩ বাকী। এরে মধ্যে ঈদের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে নগরীর পাড়া-মোহল্লা ও মফস্বলে। প্রত্যেকে নিজ নিজ ঈদের আনন্দটাকে নিজের আঙিনায় আবদ্ধ করে নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমরা কয়জন অসহায়, নিঃস্ব, এতিমের খোঁজ নেই তাদের ঈদ কেমন ভাবে পালিত হয়? আমাদের সবার আনন্দের মাঝে তাদের কথা মনেই থাকে না। দারিদ্রের কারণে তারা পরতে পারে না নতুন জামা। পরবে কি করে? দরিদ্র এতিমদের ঈদ শুধুমাত্র নতুন চাঁদ দেখার মাঝেই সীমাবদ্ধ। আর ঈদের দিন তো অন্য সাতটা দিনের মতই চলে যায়। দরিদ্র বাবামায়ের শিশুরাও হয়তো বাবামায়ের কিছু নতুন জামার বায়না ধরে। অসহায় বাবা মা শত কষ্টেও হয়তো সন্তানের চাহিদা পূরণ করতে চেষ্টা করে। কিন্তু মা বাবা হারানো এতিম শিশুরা হয়তো বায়না ধরারও কাউকে খুজেঁ পায় না। দুবেলা খেয়ে পড়ে বাঁচাই যাদের জীবন তাদের জন্য ঈদকে ঘিরে নতুন জামা পাওয়া স্বপ্নের মতোই অধরা। 

এবারে এতিমখানার দরিদ্র এতিম শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন জামা উপহার দিলো পোশাক শিল্প নির্ভর বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন পত্রিকা ‘দি আরএমজি টাইমস’র  ও জার্মানীভিত্তিক তৈরী পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘গোল্ডেনফিনিং (G. Gueldenpfennig GmbH)। 

‘আরএমজি টাইমস ঈদের হাসি’ প্রতিপাদ্যে আরএমজি টাইমেরস নিয়মিত উদ্যোগে এবার ঈদের নতুন জামা পেলো সুবিধাবঞ্চিত মাদরাসা পড়ুয়া এতিম শিশুরা। মঙ্গলবার (১২ জুন ২০১৮) রাজধানীর উত্তরার রানাভোলা এলাকায় অবস্থিত ‘জামিয়া নাবিয়্যাল আলামিন (সঃ) দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানায় ৩০ জন এতিম ও দরিদ্র শিশুদের মাঝে নতুন পাঞ্জাবী-পায়জামা উপহার দেয়া হয়। 

আরএমজি টাইমসের সম্পাদক মি. আব্দুল আলিম ও গোল্ডেনফিনিং (G. Gueldenpfennig GmbH) এর কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার নাজমুল হাসান নিজে হাতে ওই সব এতিম শিশুদের হাতে নতুন পোশাক তুলে দেন। এসময় শিশুরা আবেগে আপ্লুত হয়ে আনন্দে চিত্তে তাদের হাত থেকে নতুন নতুন পোশাক গ্রহণ করে।  নতুন পোশাক পেয়ে এতিম শিশুদের মুখে ফুটলো হাসি, অধরা স্বপ্ন ধরা দিলো হাতে। 

ঈদে নতুন জামা উপহার পেয়ে শিশুরা জানায়, এতিমখানায় দানের টাকায় খাওয়া পড়া চলে যায় কোনোমতে। কমদামী জামাকাপড়ও দেয়া হয় মাদরাসা থেকে। কিন্তু ঈদকে ঘিরে আলাদা করে নতুন জামা পাওয়া হয় না। এবারের ঈদে নতুন পাঞ্জাবী পায়জামা পেলাম। খুব আনন্দ লাগছে। 

আরএমজি টাইমসের সম্পাদক মি. আব্দুল আলিম বলেন, এতিম শিশুদের মাঝে সামান্য উপহার তুলে দিতে পেরে আনন্দবোধ করছি। প্রত্যাশা করছি, ভবিষ্যতেও এই ধারা আরো বৃহৎ পরিসরে অব্যাহত থাকবে। 

 গোল্ডেনফিনিং (G. Gueldenpfennig GmbH) এর কমপ্লায়েন্স ম্যানেজার নাজমুল হাসান বলেন, G. Gueldenpfennig GmbH এমন মহতী কাজে অংশগ্রহণ করায় গর্ববোধ করছি। সমাজের সব বিত্তবানদেরই এতিম এবং দরিদ্র শিশুদের মাঝে ঈদ আনন্দ বিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিৎ। 

Write a comment

Print Friendly, PDF & Email

এই বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ



error: Content is protected !!