ঢাকা বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১



পোশাক খাতকে একধাপ এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করলো দেশিয় পোশাক ব্র্যান্ড ‘সারা’

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প বিশ্ব দরবারে বরাবরই সমাদৃত।বিদেশি ক্রেতাগণ এদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আউটলেটগুলোতে তাদের নিজস্ব পরিচয়ে চড়াও দামে বিক্রি করে বিশ্ববাজারে।তবে বাংলাদেশ এখন আগের মত শুধু বিদেশি নামি-দামি ব্র্যান্ডের জন্যই পণ্য উৎপাদন করে না, আন্তর্জাতিক মানসম্মত ব্র্যান্ড রয়েছে এখানেই। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের তৈরি পোশাক খাতকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ও বিশ্ববাজারে নিজেদের নতুনভাবে মেলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘স্নোটেক্স আউটওয়্যার লিমিটেড’-এর দেশিয় পোশাক ব্র্যান্ড ‘সারা’।

ছবি কৃতজ্ঞতা-এনটিভি অনলাইন

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ‘স্নোটেক্স’ তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড ‘সারা’ প্রতিষ্ঠা করল ‘সারা লাইফস্টাইল লিমিটেড’-এর মাধ্যমে।

এ উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারের তৌফিক আজিজ হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থাপনা করেন ফ্যাশন ডিজাইনার কাশফীয়া নেহরীন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সারা লাইফস্টাইল লিমিটেড ও স্নোটেক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদ, পরিচালক শরীফুন নেসা, সহকারী পরিচালক মতিউর রহমান, উপ-পরিচালক জাকি হাসান খান এবং হেড অব ডিজাইনার কাশফীয়া নেহরীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

‘সারা’ ব্র্যান্ড প্রসঙ্গে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম খালেদ এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘আমরা দেশি ও বিদেশি ফেব্রিকে সারা ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি করেছি। বিভিন্ন বয়সী নারী ও পুরুষের পাশাপাশি শিশুদের জন্যও আমাদের পোশাক রয়েছে। আমাদের নিজস্ব অনেক ফ্যাশন ডিজাইনার আছেন। তারাই সাড়া ব্র্যান্ডের পোশাক ডিজাইন করছেন। ভবিষ্যতে সারা ব্র্যান্ড নিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে’।

ছবি কৃতজ্ঞতা-এনটিভি অনলাইন

অন্যদিকে পরিচালক শরীফুন নেসা বলেন, ‘আমরা প্রথমে মিরপুরে সারা ব্র্যান্ডের শাখা উদ্বোধন করব। এরপর আমাদের ইচ্ছে আছে রাজধানী বড় বড় শপিং মলগুলোতে এর শাখা  খোলার। এর মধ্যে আমরা প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছি। আশা করছি, ক্রেতারা আমাদের পোশাক পছন্দ করবেন। ’

উল্লেখ্য, ‘স্নোটেক্স’ ২০০০ সালে বায়িং হাউজের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে। আজকের ‘স্নোটেক্স’ হয়ে উঠেছে তিনটি বড় কারখানার একটি প্রতিষ্ঠান রূপে। ‘স্নোটেক্স’ ২০০৫ সালে নিজেদের প্রথম কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে স্নোটেক্স অ্যাপারেলস।

এরপর সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে ‘কাট অ্যান্ড সিউ’ এবং ২০১৪ সালে ‘স্নোটেক্স আউটওয়্যার’ প্রতিষ্ঠিত করা হয়। স্নোটেক্স আউটওয়ার গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছে ইউএসজিবিসির লিড গোল্ড সার্টিফিকেটে এবং প্রচলিত আইনের বাইরে শ্রমিকদের কল্যাণের বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পেয়েছে ‘আরএমজি টাইমস বেষ্ট প্র্যাকটিস অ্যাওয়ার্ড ২০১৮’ । এটি এখন ১০ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান করে যাচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের জায়গা হয়ে দাঁড়াবে এই কোম্পানিতে।

Comments


আর্কাইভ