ঢাকা সোমবার, মে ২৭, ২০১৯



‘অ্যাকর্ডের মেয়াদ বাড়ানো বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়’-আইইএফ সভাপতি

ডেস্ক রিপোর্ট: পোশাক খাতের সংস্কারবিষয়ক ইউরোপের ক্রেতা জোট অ্যাকর্ডের কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন সফররত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাপারেল ফেডারেশনের (আইএএফ) সভাপতি হ্যান বিকে। বিজিএমইএর সঙ্গে বৈঠক শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অ্যাকর্ডের বিষয়ে তার বলার কিছু নেই।

এ বিষয়ে বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মেয়াদের বিষয়টি আদালতের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে তিনিও কোনো কথা বলবেন না। আইএএফ সভাপতি ও মহাসচিব ম্যাথিজ ক্রিটের সঙ্গে পোশাক খাতের নেতাদের বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তারা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে অ্যাকর্ডের মেয়াদ ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। ওই দিন বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের থাকার বিষয়ে শুনানি শেষে রায় দেবেন আদালত। রায় পরিবর্তন চেয়ে গত সপ্তাহে আদালতে জোটের পক্ষ থেকে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল আদালত এ নির্দেশনা দেন। এর আগে গত ৯ আগস্ট হাইকোর্ট ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে অ্যাকর্ডকে নির্দেশ দেন। আজ মেয়াদ শেষ হচ্ছে। অ্যাকর্ডের ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয় গত মে মাসে। সরকারের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৬ মাস মেয়াদ বাড়ানো হয়।

বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে বাংলাদেশের পোশাক খাতের কার্যকর সংযুক্তি এবং আইএএফের আগামী সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠানের বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে গত বুধবার ঢাকায় আসেন সংস্থার শীর্ষ দুই নেতা। বিজিএমইএর সঙ্গে বৈঠকের আগে বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। সেই বৈঠকেও পোশাক খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। মূলত, পোশাক খাতের উন্নয়ন এ সংগঠনের মূল কাজ। বিশ্বের ৪৫ দেশে এ সংস্থার নেটওয়ার্ক রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে আইএএফ সভাপতি বলেন, ভোক্তাদের রুচির পরির্তনসহ পোশাক খাতে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ বাড়ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরবরাহ চেইনকে আরও আধুনিক এবং উপযোগী করা দরকার। ন্যায্য এবং মুক্ত বাণিজ্যের মতো বিষয়গুলোও জরুরি। এ বিষয়ে সব পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

 

সৌজন্যে: দৈনিক সমকাল


আর্কাইভ