ঢাকা সোমবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৮



পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কর্মবিরতির প্রভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। কনটেইনারবাহী প্রাইম মুভার (লরি), কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক চলাচল না করায় বন্দর থেকে ডেলিভারি কার্যত বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম বাংলানিউজের বরাত দিয়ে বলেন, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ৪ হাজার ট্রাক ও প্রাইম মুভার বন্দরে ঢোকে সেখানে রোববার মাত্র ৩০০ গাড়ি ডেলিভারি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে একদিকে ইয়ার্ড ও টার্মিনালে কনটেইনার জট এবং রপ্তানি পণ্যবাহী যথাসময়ে বন্দরে পৌঁছার ব্যাপারে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

তিনি চট্টগ্রাম বন্দর ও অফডক বা আইসিডিগুলোকে পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির বাইরে রাখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

জানা যায় বন্দরে কোনো প্রাইম মুভার, ট্রাক কোনটাই চলেনি।

পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি পণ্য ও কনটেইনার খালাস ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বেসরকারি ১৯টি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) থেকেও কোনো কনটেইনার বন্দরে আনা-নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আইসিডি মালিকদের সংগঠন বিকডার মহাসচিব মো. রুহুল আমিন সিকদার জানান, বন্দর টু আইসিডি, আইসিডি টু বন্দর, আইসিডি টু ফ্যাক্টরি, ফ্যাক্টরি টু আইসিডি কনটেইনার মুভমেন্ট বন্ধ রয়েছে। সোমবার (২৯ অক্টোবর), ২০ ফুট দীর্ঘ হিসেবে ৯০০ রপ্তানি পণ্যভর্তি কনটেইনার নিয়ে দুইটি জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। বাস্তবে কী হবে আমরা জানি না।

তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু বলেন, এমনিতে লিড টাইম নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এখন কর্মবিরতির কারণে সময় নষ্ট হচ্ছে। শ্রমিক নেতাদের উচিত সরকারের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা। আশাকরি, খুব শীঘ্রই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হবে এবং সোমবার (২৯ অক্টোবর) থেকে সব কিছু স্বাভাবিক নিয়মে চলবে।

তিনি আরও বলেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বৈদেশিক বাণিজ্যে যে ক্ষতি হচ্ছে তা অপূরণীয়। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প খাতে বিশ্বব্যাপি বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

Write a comment

Print Friendly, PDF & Email

এই বিভাগের আরও খবর


আর্কাইভ



error: Content is protected !!