ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, এখন রাত ১২:২০

আরএমজি টাইমসের সফলতার সকল কৃতিত্ব পাঠকদের, সাথে চাই আগামীর পথ চলায়

আব্দুল আলিম : ২০১৩ সালে বাংলাদেশের পোশাক কারখানার এক ভয়াবহ দুঃসময়ে আমার বক্তব্য নিতে বিদেশি এক সংবাদ মাধ্যমের কয়েক সাংবাদিক এসেছিলেন আমার অফিসে। তাদের প্রশ্নের ধরন এমন ছিল যে মনে হচ্ছিল আমাদের উন্নত দেশে পরিনত হওয়ার  স্বপ্নের পোশাক খাতের বিদায় ঘন্টা যেন বেজেই গেল। সেই বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নই প্রথম আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিল পোশাক খাত ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যম করার। আমার সেই ইচ্ছেটার প্রতিফলন ঘটে আজ থেকে ঠিক এক বছর আগের এই দিনে। দেশের পোশাক খাতের সমস্যা, সম্ভাবনা, সফলতা, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ এর সংবাদ নিয়মিত প্রকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক খাতকে ইতিবাচকভাবে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার প্রত্যয় নিয়ে শুরু করেছিলাম দি আরএমজি টাইমস।

গত এক বছরে আমাদের সফলতা ও ব্যর্থতা নির্ধারণ করবেন আমাদের পাঠক, পৃষ্ঠপোষক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীগণ। আজকের এই দিনে কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের লক্ষাধিক পাঠকবৃন্দকে যাদের গঠনমূলক আলোচনা, সমালোচনা আমাদের উৎসাহিত করেছে প্রতিটি মুহূর্ত। কৃতজ্ঞতা জানাই ওয়াল্টন পরিবার, সেফটি সোর্স লিমিটেড, এমআরএফ গ্রুপ, এমআইএফটি, হোটেল হাইগার্ডেন, জিএসসিএস সহ সকল পৃষ্ঠপোষক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতি যাদের সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কৃতজ্ঞতা আমার পেশাগত বন্ধুসহ সকল বন্ধুদের প্রতি যারা প্রতিটি মুহূর্ত উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। বিশেষ ধন্যবাদ জানাই আরএমজি টাইমসে আমার প্রথম সহযোদ্ধা নিজস্ব প্রতিবেদক ফজলুল হকের প্রতি; যার দিন রাত্রি অক্লান্ত শ্রমেই লালিত পালিত হয়ে ভূমিষ্ঠ হওয়া থেকে আজকের এক বছর বয়সের শিশুতে পরিণত আরএমজি টাইমস। ইতিমধ্যে সরকারি বিধিবিধান মেনে নিবন্ধনের আবেদন করেছি যা এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।

আরএমজি টাইমস আগামী দিনগুলিতে পোশাক খাতের সংবাদ পরিবেশনের সাথে সাথে আমরা পোশাক খাতে কর্মরত মানবসম্পদের উন্নয়নকল্পেও কাজ করার পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাব। অদুর  ভবিষ্যতে আমাদের পাঠকবৃন্দ আরএমজি টাইমসকে ছাপার অক্ষরে দেখতে পাবেন বলে আশা করছি। পরিশেষে অতীতের ন্যায় আগামী দিনগুলিতেও সকলের দোয়া, সমর্থন ও পরামর্শ আশা করছি। আরএমজি টাইমস পড়ুন, আমাদের সাথেই থাকুন।

লেখক : সম্পাদক ও প্রকাশক, দি আরএমজি টাইমস

মন্তব্য লিখুন

এই বিভাগের আরও খবর

Find us on Facebook