ঢাকা, আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, এখন রাত ১০:০১

পোশাক শিল্পের সালতামামি, শঙ্কা আর নানা প্রতিকূলতার ২০১৬

ফজলুল হক: ২০১২ সালে তাজরীন ফ্যাশনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড আর ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধ্বসের পর থেকেই নানা প্রতিকুলতা ঘিরে রেখেছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে। দেশি বিদেশী কুচক্রিমহল এদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস্য পোশাক শিল্পখাতকে ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। গুলশান ট্রাজেডি, ব্রেক্সিট, জিএসপি, পোশাক কারখানার সবুজ বিপ্লব, বিজিএমইএ ভবন, অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স আর সর্বশেষ আশুলিয়ার শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন কারণে ২০১৬ সালে পোশাক শিল্প আলোচনায় উঠে এসেছে বারবার। তবুও শত বাঁধা বিপত্তি পেরিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সদর্পে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প। 

গুলশান ট্রাজেডি : ২০১৬ সালের ১লা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলায় পোশাক শিল্পের বিদেশী ক্রেতাসহ ২০ জন নিহতের ঘটনায় দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভীত গার্মেন্ট শিল্পের ভবিষ্যত নিয়ে তৈরি হয় শঙ্কা। এই হামলার কারণে বিদেশিরা এ দেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে অনেক বিদেশী ক্রেতা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আসার সিডিউল স্থগিত করে। দেশের তৈরী পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানসহ ইউরোপ আমেরিকান বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে ভীতির সৃষ্টি হয়। অর্ডার আনতে আলোচনায় বসতে দেশের পোশাক খাতের মালিকদের ছুটে যেতে হয়। গুলশান ট্রাজেডির সময় যখন পোশাক খাতের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কায়  বাংলাদেশ তখন ইতিবাচক সাড়া দিয়ে আলোচনায় আসে ইউরোপ ও আমেরিকান দুই ক্রেতা জোট প্রতিষ্ঠান অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স। জোটবদ্ধ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এদেশের তৈরী পোশাক কেনা অব্যাহত রাখার ঘোষণা করে। এতে স্বস্তি ফিরে পায় পোশাক শিল্পের ব্যবসায়িরা।


তবে সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেয়া এক বক্তব্যে বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, চলতি বছরের জুলাই মাসে হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় পোশাক শিল্পের স্বাভাবিক পরিস্থিতি অনেকটাই বিঘ্নিত হয়। এতে এ খাতের মার্কেটিং, অর্ডার, নেগোসিয়েশন, কোয়ালিটি চেক, মেইনটেন্যান্স ইত্যাদি কাজে বিদেশিদের বাংলাদেশ সফর স্থগিত করা হয়। ক্রেতাদের আস্থার সংকট তৈরি হয়। ফলে পোশাক খাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। প্রতিকূলতা মোকাবিলা করছে।

বাংলাদেশ থেকে পোশাক ক্রয় করে এমন বড় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে এইচঅ্যান্ডএম, ওয়ালমার্ট, ইন্ডিটেক্স, বেস্ট সেলার, ভিএফ করপোরেশন, সিয়ার্স, ক্যারিফোর, জেসি পেনি, গ্যাপ ইত্যাদি। এছাড়াও রয়েছে নেদারল্যান্ডসের ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএ, যুক্তরাষ্ট্রের চেরোকি গ্লোবাল ব্র্যান্ড, লিভাইস, ওয়ালমার্ট এবং টার্গেট। এদের মধ্যে অনেকেই এখন বাংলাদেশ সফর করছেন না।

বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাছির বলেছেন, আগের চেয়ে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে। ক্রেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে বিজিএমইএ। যেহেতু কয়েকটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির ওপর বাংলাদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা আছে, সে কারণে কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান সতর্কতা পালন করছে। 

ব্রেক্সিট : ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে যুক্তরাজ্যের সদস্যপদ প্রত্যাহারের প্রভাবে সৃষ্টি অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব দেশের পোশাক শিল্পের ওপর পড়তে পারে এমন সম্ভাবনায় আবারও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে দেশের পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশের তৃতীয় বড় রফতানি বাজার যুক্তরাজ্য। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বেক্সিটের ফলে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে বিরুপ প্রভাব পড়লে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ। ব্রেক্সিট নিয়ে পোশাক শিল্পের ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলেও তা কাটিয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। তবে ব্রেক্সিট ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ইত্যাদি কারণে পোশাকের চাহিদা ও ক্রয় কমে এসেছে বলেন জানিয়েছে বিজিএমইএ। 


অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্স : রানা প্লাজার ঘটনায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের অগ্নি এবং ভবন নিরাপত্তার জন্য গঠিত হয় ইউরোপিয়ান ক্রেতা জোট প্রতিষ্ঠান অ্যাকর্ড। আর পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে করতে গঠিত হয় আমেরিকান ক্রেতাজোট প্রতিষ্ঠান অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি। ২০১৩ সালে সংগঠন দুটির পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই একের পর এক বন্ধ থাকে বাংলাদেশের অনেক পোশাক কারখানা। ২০১৬ সালে অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স বিভিন্ন কারণে আলোচনায় সমালোচনায় উঠে আসে বারবার।


অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স গঠিত হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক  কারখানার সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘটনা ঘটে ২০১৬ সালেই। পোশাক কারখানার মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমএইসহ বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রণালয়ও অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্সের বিভিন্ন বিষয়ে সমালোচনা তুলে ধরেন। ২০১৮ সালের পর অ্যাকর্ড অ্যালায়েণ্স নয় বলে গণমাধ্যমে বারবার বক্তব্য প্রদান করে বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল হোসেন। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠে অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের বিরুদ্ধে। দেশের পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নিরাত্তা দিতে এসে এদেশের পোশাক খাতের চরম ক্ষতি করছে বলে বিভিন্ন সময় অভিমত প্রকাশ করেন দেশের পোশাক খাত সংশ্লিষ্ট শীর্ষ ব্যক্তিরা। তবে গুলশান ট্রাজেডির সময় অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্সের ইতিবাচক সাড়া দেয়ায় বেশ প্রশংসাও পায় সংগঠন দুটি। সম্প্রতি, হেচং গ্রুপের কয়েকটি কারখানার সাথে অ্যাকর্ড ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করলে তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠে। ৯৩% শতাংশ সংশোধনী কর্ম সম্পন্ন করার পরও হেচংকে টার্মিনেট করে অ্যাকর্ড। সম্পর্ক ফিরে পেতে হেচং গ্রুপের সর্বোচ্চ চেষ্টায় ব্যবসায়িক সম্পর্ক পূণর্বহাল করে অ্যাকর্ড। তবে তার আগে অ্যাকর্ডকে নেদারল্যান্ডের কোর্ট অবধি নিয়ে যায় হেচং গ্রুপ! 


পোশাক কারখানার সবুজ বিপ্লব : সবুজ পোশাক শিল্পে দাপুটে অর্থনীতির দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, আয়ারল্যান্ড ও ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে আসে বাংলাদেশ। এ শিল্পে বাংলাদেশ বিশ্বে এখন নাম্বার ওয়ান। এমনকি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক পণ্য উৎপাদনকারী কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টিই বাংলাদেশে স্থাপিত। ২০১৬ সালে পোশাক কারখানার সবুজ বিপ্লব পোশাক শিল্পের বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন রুপে পরিচয় করিয়ে দেয়। 


যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলে (ইউএসজিবিসি) নিবন্ধিত ১৯৫টি বাংলাদেশি সবুজ পোশাক কারখানার মধ্যে ৩৬টি লিড সনদ পায়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ইউএসজিবিসিতে নিবন্ধিত আরও ১৫৯টি বাংলাদেশি সবুজ পোশাক কারখানা লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ড ডিজাইন (লিড) সনদ পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। আর যে ৩৬টি কারখানা এই সনদ পেয়েছে, তার মধ্যে ৯৭ পয়েন্ট পেয়ে বিশ্বের নাম্বার ওয়ান পোশাক কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে রেমি হোল্ডিংস লিমিটেড। ৯২ পয়েন্ট পেয়ে প্লামি ফ্যাশন লিমিটেড দ্বিতীয়, ৯০ পয়েন্ট পেয়ে ভিনট্যাগ ডেনিম স্টুডিও লিমিটেড চতুর্থ, ৮৫ পয়েন্ট পেলে এসকিউ সেলসিস-২ সপ্তম এবং ৮১ পয়েন্ট পেয়ে জেনেসিস ফ্যাশনস লিমিটেড দশম স্থানে রয়েছে।

জিএসপি : যুক্তরাষ্ট্র রানার প্লাজা ধসের পর ওবামা প্রশাসন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকের স্বার্থ সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের অবাধ বাজার সুবিধা (জিএসপি) স্থগিত করে। এমনকি পোশাক খাতে কাজের পরিবেশের উন্নতির জন্য ১৬টি শর্ত দেওয়া হয়। আর এসব শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলা হয়। কিন্তু এসব শর্ত পূরণ করার পরও আরও উন্নতির কথা বলে জিএসপি পুনর্বহাল করছে না দেশটি। জিএসপি পুনর্বহালের বিষয়ে ২০১৬ সালেও সবার মাঝে প্রত্যাশা কাজ করেছে। রাজনৈতিক কারণে জিএসপি ফিরে পেতে সমস্যা হচ্ছে মনে করে আমেরিকান নির্বাচনকে ঘিরে পোশাক শিল্প খাত সংশ্লিষ্টদের মাঝেও ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বারাক ওবামা সরকার করেনি কিন্তু ডোনাল্ট ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালে উদ্যোগ নিবেন বলেও অনেকেই প্রত্যাশা করেন। 


বিজিএমইএ ভবন : ঢাকার হাতিরঝিল প্রকল্প এলাকায় পরিবেশের ক্ষতি করে বেআইনিভাবে গড়ে ওঠা বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার চূড়ান্ত রায় আসার পর থেকেই বিজিএমইএ ভবনকে ঘিরে গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে। ভবন ভাঙার চুড়ান্ত রায় আসার ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়নি। তবে উত্তরায় নতুন ভবনের কাজ দ্রুত শুরু হচ্ছে বলেও গুঞ্জন শোনা যায়।  ২০১৬ সালের শেষার্ধেক জুড়ে বিজিএমইএ ভবনকে ঘিরে পোশাক খাত সংশ্লিষ্টদের মাঝে উত্তেজনা দেখা যায়। 


আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ : নানা অজুহাতে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, নিয়ম অনুযায়ী ছাঁটাইকৃত শ্রমিকের প্রাপ্য পরিশোধ ও ছুটিকালীন বেতন বহাল রাখাসহ ১৫ দফা দাবিতে ১১ ডিসেম্বর থেকে আশুলিয়ার কিছু পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। এ কর্মসূচির একপর্যায়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করলে আরো বিরূপ পরিস্থিতির আশঙ্কায় ২০ ডিসেম্বর ৫৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারা প্রয়োগ করে মালিকপক্ষ। টানা পাঁচদিন বন্ধ থাকার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ২৬ ডিসেম্বর রোববার বন্ধ কারখানা খুলে দেয়ার ঘোষণা দেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)। 


শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় প্রায় তিন হাজারের বেশি শ্রমিক ছাঁটাই হয়েছে বলে দাবী করে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। শ্রমিক উস্কানির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় একুশে টিভির সাংবাদিক, সাভারের বিএনপির নেতৃবৃন্দ, বিক্ষোভকারী শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের। শ্রমিকরা নিয়ম বহির্ভূত অন্যায়ভাবে আন্দোলন করেছে বলে মন্তব্য করেন বিজিএমইএ, সরকারের শ্রম ও বানিজ্যমন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিবর্গ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 


২০১৬ সালের বিভিন্ন ঘটনায় পোশাক খাত ঘিরে ছিল নানা শঙ্কা। ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন অর্জনের লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে পুরো উদ্যোমে কাজ করলেও কিছু অনাকাঙ্খিত ঘটনা এদেশের পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্য অর্জনে বেশ বড় বাধা হয়ে  দাড়িয়েছিল। ডিসেম্বরে শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায়  পোশাক খাতের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার শঙ্কাটা প্রবল ভাবে দেখা যায়। তবে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিষয়টি পুরোপুরি সমাধান না করা গেলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে পরিস্থিতি।  

বড় অর্জনের লক্ষ্য থাকলেও বিদায়ী বছরে দেশের পোশাক খাত ঘিরে ছিল নানা শঙ্কা। অনাকাঙ্ক্ষিত এসব শঙ্কা এ খাতের প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্য অর্জনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। বছরের শেষদিকে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় নতুন বছরে এ শিল্প ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা প্রকাশ করছে  পোশাক শিল্প খাত সংশ্লিষ্টরা। দেশের রপ্তানী আয়ের প্রধান খাত নানা প্রতিকুলতা কাটিয়ে বিশ্ব বাজারে পোশাক শিল্পের দৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলবে এমন প্রত্যাশায় নতুন বছরের অপেক্ষায় দেশের আপামর জনতা।  

মন্তব্য লিখুন

এই বিভাগের আরও খবর

Find us on Facebook